স্বামীদের কম জ্বালাবেন বেচারারা এমনিতেই ঝামেলায় আছে। রসিকতা হিসেবে শুনতে ভালো লাগলেও বাস্তবতা ভিন্ন।
প্রকৃতপক্ষে যারা পূর্বেও সেই ঘরেই থাকতো বা ঘরের কাজ করতো তাদের জন্য হয়েছে এই কোয়ারান্টাইন আরো বেশি সমস্যার।
বিবিসির একটা নিউজ দেখলাম নারী নির্যাতন বাড়ছে।
বিবিসি বাদ দেন আমার এক মহিলাকে চিনি যিনি বাইরে কাজ করতো এবং মাঝে মাঝে রাতের নয়টায় ঝগড়া করতো এখন সেটা নিয়মিত দিনেও হয়।
আমারেকিয়ায় এক মেয়ে বাবার কাছে নির্যাতিত হয় বিধায় মা এনে রেখেছে এমনকি মেয়েও সাইকোলজিকাল থেরাপি ব্যবহার করতো। এখন মায়ের আয় নেই সেই মেয়ে বাধ্য হয়ে সেই বাবার কাছেই থাকে।
আমাদের দেশে বউরে মারা যায় তাতে অমন দোষ না এমন পুরুষ অনেক। তারা এখন প্রায় সবাই ঘরে এর এবং আরো বিরক্তিও বাড়ছে অভাবে, ঘরে বসে থেকে বাড়ছে মেজাজ সেই মেজাজের প্রথম ও প্রধান গ্রাহক ঘরের স্ত্রী।
নিম্নবিত্ত অনেকেই নিজেদের প্রধান বিরক্তি প্রকাশ করে স্ত্রীরে অকথ্য ভাষায় গালি দিয়ে বা মেরে।
শুধু শারীরিক নির্যাতন না, আমরা ঘরে বসে থাকতে বোর হলেও খুব কম মানুষই ঘরের কাজে আশানুরূপ হাত লাগাই না। তার জন্য গঞ্জনা শুনতে হয়, আগে বের হয়ে যাইতাম এখন সেটা সম্ভব না তাই উল্টো নিজেরা বলি।
সমাজের একটা বিশাল অংশের এই সমস্যা থাকলেও অনেকের ঘরে নেই। তাতে তাদের ঘরের মহিলারাও আগের মত আছে তা কিন্তু না।
সাধারণত বাংলাদেশের বেশিরভাগ ঘরেই পুরুষদের জন্য একটু স্পেশাল খাতির থাকে। বিশেষ করে যদি আপনি বাইরে থাকেন। এখন বেশিরভাগ দূরে থাকা পুরুষরাই ঘরে। তাদের জন্য মহিলাদের আরো বেশি সময় দিতে হচ্ছে রান্নাঘরে বা ঘরের কাজে।
আমাদের দেশে নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত অনেক মহিলাই স্বামীকে না জানিয়ে কিছু অর্থব্যবস্থা করেন। যা গোপনে সন্তানদের আবদার, ঘরের আসবাবপত্রের জন্য খরচ হয়।
স্বামীরা জানেও না তাদের সংসারে তার আয়ের চেয়ে বেশি টাকার প্রয়োজন হয়।
মুরগির ডিম বিক্রি, শীতলপাটি, কাঁথাসেলাই সহ আরো অনেকভাবে এই আয় করে থাকেন।
কিন্তু আপাতত সব বন্ধ।
অনেক পুরুষের মনেই এই বেকার ও বিরক্তির সময়ে নানা অপকর্ম ঘুরে বেড়ায়। তার শিকার হয় আশেপাশের বাচ্চারা। ঢাকায় এই করোনাকালীন সময়েও ১৮ টি নির্যাতন মামলা পড়েছে (প্রথম আলো) এছাড়া আরো কিছু নিউজ পড়ছি যা উল্লেখ করলাম না।
( অনেকেই স্ত্রীরাও নির্যাতন করে, ঘ্যান ঘ্যান করে ইত্যাদি ইত্যাদি বলবেন।
ভাইরে স্ত্রী স্বামীরে নিয়মিত মারে এইরকম ঘটনা কয়টা আছে? আর স্ত্রীরা যা নিয়ে ঘ্যানরঘ্যানর করে তার সাথে পুরুষের মার ও অকথ্য ভাষা গালি এক না যে তা বুঝতে শিখুন।
বুঝতে শিখুন স্ত্রীর এইসব ঘ্যানর ঘ্যানর এগুলো অসহ্য বা অনুচিত হলেও অমানবিক নির্যাতনের পর্যায়ে পড়ে না। আপনি চাইলেই এভয়েড করতে পারেন।
আর এর বাইরে আপনি হয়তো অনেক উদহারণ ও আনতে পারবেন তবে তা নিজেই তুলনা করে দেইখেন।)
তাই আজ থেকে
#Stay_home
#Stay_safe এর পাশাপাশি
#Keep_safe
#ভালো_থাকুন
#ভালো_রাখুন
No comments:
Post a Comment