আলী বাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা এর নামে প্রচারিত হচ্ছে " উদ্যোক্তারা উদ্যোগ নিলে বন্ধু-বান্ধবরা নাকি প্রচার করে না, কিনে না, সাহায্য করে না। শুধু টিটকারি। " কথাটা উনি বলছেন কি না জানা নেই তবে একেবারে মিথ্যা নয়। বিসিএস ক্যাডার হলে পরিচিত অপিরিচিত সবাই যেভাবে গর্বিত অনুভূব করে, ক্রেডিট নেয়, ভাই/আপুদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ তেমনি বেসরকারি চাকুরি পাইলে বা ব্যবসায় উদ্যোগ নিলে তা দেখা যায় না। আবার তারাই সবাই কেন শুধু বিসিএসই দেয় এই মর্মে স্ট্যাটাস বা ক্ষোভ প্রকাশ করে। (অবশ্য ওই ক্যাডাররা গত ৩-৪ বছর পড়ার সময় আমরা আর জানি না)।
বেশিরভাগ সময়ই ফেসবুকে বন্ধু-বান্ধবরা পেজে বা ফেসবুক গ্রুপে কেন আমন্ত্রণ জানায় তা নিয়ে বেজায় ক্ষোভ, তাদের নিয়ে যাচ্ছে তাই বলা হয়।
অথচ ওই বন্ধু ব্যর্থতায় ফাঁস দিলে আহারে আমারে বলতি এই মর্মে সহানুভূতি জারি হয়।
ফেসবুক পেজে লাইক দিলে বা গ্রুপে এড হলে কোন টাকা-পয়সা লাগে না। আপনি সে প্রোডাক্ট বা সে টপিকে ইন্টারেস্ট না হলে লাইক বা জয়েন থাকা সত্ত্বেও পেজ/গ্রুপ উভয়ের পোস্টই আপনার ফেসবুক ফীডে না আসে সে ব্যবস্থা করা যায়।
এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা দেখাবেন অনেক উলটাপালটা গ্রুপ যেমন "রাত জাগা কুদ্দুস বনাম জরিনা।" বা "সখিনার আজ মন ভালা না" ইত্যাদি নামক গ্রুপে ইনভাইট করা।
ওকে, ম্যান। এখনতো আপনাকে ইনভাইট দিলেই আপনি জয়েন হয়ে যাচ্ছেন না, ইগ্নোর করুন। বাদ দিন। ডিলেট দিন। সবাই এক জিনিস নিয়ে মজা পাবে না এটাই স্বাভাবিক।
একটা নটিফিকেশনই তো আসবে। আপনার একটা ফেসবুক নটিকফিকেশনের যন্ত্রণা সহ্য না হলে সিম্পলি তারে ম্যাসেজ করুন বা আনফলো, আনফ্রেন্ড করে দিন। তারে গালি গালাজ বা মানসিক অসুস্থ বলার দরকার নেই।
যাই হোক এই জ্যাক মা কে ভুল প্রমাণিত করতে বা যে কারণেই হোক কাছের, পরিচিতদের উদ্যোগগুলো কে প্রমোট করার চিন্তা ভাবনা করেছি। হয়তো একজন কাস্টমার ও পাবে না যেহেতু আমাই সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার না তবে মানসিক শান্তিটাতো পাবো। আমি যা এখনো করিনি তারা তা করে দেখিয়েছে।
এই প্রমোট বা তাদের পণ্য নিয়ে লেখার আইডিয়াটা লেখক Asadullah থেকে প্রণোদিত হয়ে মাথায় আসছে। ধন্যবাদ উনাকে।
আসুন উদ্যোক্তাকে প্রমোট করি, বেসরকারি চাকুরিকে সমর্থন করি। অন্যদের উপর সামাজিক চাপ কমাই।
No comments:
Post a Comment